ঢাকা, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ || ২৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
Biz Barta :: বিজ বার্তা
Place your advertisement here

ব্যাংক লেনদেন বন্ধ থাকবে চারদিন

বিজবার্তা রিপোর্ট :

প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  


ঢাকা : ৩০ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এবার ব্যাংক হলিডে ২৭ ডিসেম্বর। নির্বাচনের কারণে ব্যাংক ক্লোজিংর সময় পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দিনটিতে সাধারণ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এদিন বন্ধ থাকবে দেশের পুঁজিবাজার। তবে, ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হওয়ায় শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে ব্যাংক লেনদেন বন্ধ থাকবে। পরের দিন নির্বাচন তাই সেদিনও সাধারণ ছুটি ঘোষনা করায় চালু থাকবে না ব্যাংকিং কার্যক্রম। অর্থ্যাৎ কার্যত চার দিনের ছুটির ফাঁদে পড়ছে ব্যাংকিং কার্যক্রম।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে ২৭ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডের তথ্য জানানো হয়। তবে বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানানো হয়। সাধারণত ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলো বার্ষিক আর্থিক হিসাব শেষ করে। এদিনে বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণী বা ব্যালান্স শিট প্রস্তুত করা হয়।

হিসাব মেলাতে ব্যস্ত কর্মকর্তারা কোনো ধরনের লেনদেন করেন না। আর শেয়ারবাজারের লেনদেন যেহেতু ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কিত, ফলে এদিন শেয়ারবাজারের লেনদেনও বন্ধ রাখা হয়। এবার ব্যাংক হলিডে ঠিক থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের কারণে ব্যাংক ক্লোজিংয়ের তারিখ পরিবর্তিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জুলাই ব্যাংকগুলো ব্যাংক হলিডে পালন করে। ৩০ জুন অর্ধ-বার্ষিক ব্যালেন্স শিট প্রস্তুত করার পর ১ জুলাই আর লেনদেন করা হয় না। ৩১ ডিসেম্বর সব শাখা খোলা রাখা হলেও ১ জুলাই বেশিরভাগ শাখা বন্ধ থাকে। সেদিন শুধু যেসব শাখার হিসাব শেষ হয় না, সেসব শাখা এবং আঞ্চলিক ও প্রধান কার্যালয় খোলা থাকে।

অপর দিকে আরেক সার্কুলারে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের নগদ লেনদেনে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দিয়েছেন।


জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন ব্যাংকের শাখাগুলোয় নগদ লেনদেন অনেক বেড়ে গেছে। এ কারণে অবৈধ অর্থ লেনদেনের আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিএফআইইউ থেকে ব্যাংকগুলোতে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।
দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনে নগদ অর্থ উত্তোলন বেড়ে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা রফতানি ও প্রবাসী আয়ের গতি-প্রকৃতির দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। পাশাপাশি আমদানি ও রফতানির ঋণপত্র খোলার সময় অতি মূল্য ও কম মূল্য দেখানোর বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংক যাতে সন্ত্রাসে অর্থায়নের কাজে ব্যবহার করা না হয় বা কোনো সন্ত্রাসী ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে না পারে, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক নজর দিতে হবে। নিয়ম মেনে হিসাব খোলা ছাড়া কোনো ধরনের লেনদেন করা যাবে না।


চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সংবেদনশীল এলাকার ব্যাংক শাখার লেনদেনে বিশেষ তদারকি করতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো লেনদেন হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।


Place your advertisement here
Place your advertisement here
Place your advertisement here
Place your advertisement here