ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ || ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
Biz Barta :: বিজ বার্তা
Place your advertisement here

মূল্যস্ফীতি থেকে বাঁচতে উপায়, করা যাবে সঞ্চয়ও!

বিজবার্তা রিপোর্ট :

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬  


পণ্যমূল্য অসহনীয়। আয় হচ্ছে যা, ব্যয় তার চেয়েও বেশি। শুধু খাদ্যপণ্যই নয়, সেবা ব্যয়ও উর্ধ্বমুখী।

 

পাশ্ববর্তি দেশ ভারতেও একই চিত্র। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দামের ছ্যাঁকা খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা। সংকটকালিক অবস্থায় কিভাবে টিকে থাকা সম্ভব? একটি উপায় বের করেছে ভারতের জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’।

 

বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি বলছে, সাংসারিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণের একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। সেটি হচ্ছে ৫০-৩০-২০ ফর্মুলা। এটা মেনে চললে অনেক সহজ হয়ে উঠবে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জীবন ধারণ। পাশাপাশি, যাবতীয় খরচ-খরচার পর কিছু অর্থ সঞ্চয়ও করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

 

এই ফর্মুলায় প্রথমেই হাতে পাওয়া বেতনকে তিন ভাগ করার পরামর্শ এসেছে। প্রথম অংশে থাকবে ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ বেতনের অর্ধেক টাকা। দৈনন্দিন বাজার খরচ থেকে শুরু করে ছেলে-মেয়ের স্কুলের ফি বা ঋণের কিস্তির মতো অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলি এর মাধ্যমে মেটাতে হবে।

 

বাকি ৩০ শতাংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে দ্বিতীয় অংশ। যেটা শখ-আহ্লাদ পূরণে ব্যবহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

 

পাশাপাশি, এই ফর্মুলায় ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বেতনের ২০ শতাংশ বিভিন্ন খাতে লগ্নির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

আর্থিক বিশ্লেষকদের কথায়, তিন ভাগের মধ্যে প্রথম ও তৃতীয় অংশটিকে অনমনীয় রাখাই ভাল। দ্বিতীয় ভাগটিতে প্রয়োজন মোতাবেক কাটছাঁট করতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। কোন অংশে খরচের কী কী অন্তর্ভুক্ত, এই ফর্মুলায় তারও স্পষ্ট বিবরণ রয়েছে।

 

মাসের মুদি দোকানের খরচ, তরি-তরকারি, মাছ-মাংসের বাজার এবং পরিবহণ ব্যয়ের কথা বলা যেতে পারে। যেটা বেতনের প্রথম ভাগ দিয়ে করতে বলা হয়েছে।

 

দ্বিতীয় অংশটি বিনোদন, পর্যটন, রেস্তরাঁয় খাওয়া-দাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের সাবস্ক্রিপশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

আর সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংক, ডাকঘর, শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, পেনশন তহবিল বা ক্রিপ্টো মুদ্রাকে বেছে নিতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

 

বলা হয়- ভারতের সব শহরে জীবনযাত্রার মান একরকম নয়। ফলে অত্যাবশ্যকীয় খরচ বেতনের ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শখ-আহ্লাদের ব্যয় কমিয়ে এতে সামঞ্জস্য আনার পরামর্শ দিচ্ছেন আর্থিক বিশ্লেষকদের।

 

তাঁদের কথায়, কখনই পুরোপুরি ভাবে সঞ্চয় থেকে সরে আসা উচিত নয়। আর তাই লুকনো খরচ খুঁজে বের করে তা বাদ দেওয়ার রাস্তায় হাঁটতে বলেছেন তাঁরা।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।


Place your advertisement here
Place your advertisement here
Place your advertisement here