ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ || ৩ কার্তিক ১৪৩৩
Biz Barta :: বিজ বার্তা
Place your advertisement here

কেন বাড়ছে পেঁয়াজের দাম?

বিজবার্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৫  


লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা পর্যায়ে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। খুচরা পর্যায়ে এখন দেশি পেঁয়াজ ধরনভেদে ৮০ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাড়া–মহল্লার দাম তুলনামূলক বেশি।

 

ক্রেতারা বলছেন, একলাফে ২০–২৫ টাকা মূল্যবৃদ্ধতে অস্বস্তি তৈরী হয়েছে। আর বিক্রেতারা জানান, উৎপাদনস্থলেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। কারণ, কৃষকদের নিজেদের কাছে থাকা অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা প্রয়োজন।

 

কিন্তু আমদানির অনুমতি না থাকায় সেটি সম্ভব হচ্ছে না। কৃষকেরা লোকসানে পড়তে পারেন ভেবে সরকারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে না।

 

বাজারে এখন মূলত দেশি পেঁয়াজই বিক্রি হয়। এক সপ্তাহ আগেও খুচরা পর্যায়ে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেনা যেত ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়। এরপরই হঠাৎ পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়।

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউনহল বাজার, হাতিরপুল বাজার বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা দোকানে পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮৫ থেকে ৯০ টাকা দামে। আর ফরিদপুর ও মানিকগঞ্জের পেঁয়াজের ১০ টাকা কমে; অর্থাৎ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

 

গেল বছর এই সময়ে অবশ্য পেঁয়াজের দাম আরও বেশি ছিল। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত বছর এই সময়ে এক কেজি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।

 

তখন আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ১০০ থেকে ১১০ টাকা। তবে এ বছর পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে। ফলে এখনো আমদানির প্রয়োজন হয়নি।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এর আগের বছর পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছিল ৩৯ লাখ ১১ হাজার টন; অর্থাৎ গত বছর প্রায় ৫ লাখ ৩৭ হাজার টন বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। তারপরও বাড়ছে দাম।


Place your advertisement here
Place your advertisement here
Place your advertisement here